বাবা-ছেলে মিলে মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণ

Uncategorized
শেয়ার করুন

অনলাইন ডেস্ক: নাটোরের বড়াইগ্রামের মালিপাড়ায় সপ্তম শ্রেণিতে পড়ুয়া এক মাদ্রাসাছাত্রীকে বাবা ও ছেলে মিলে একাধিকবার ধর্ষণ করেছে। ধর্ষণের শিকার ওই ছাত্রী এখন পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা।

সোমবার এ ঘটনায় মালিপাড়ার গোয়ালপাড়ার সামসুল ইসলাম এবং ছেলে আরিফুল ইসলামকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পরে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

এর আগে বুধবার রাতে ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে গ্রাম্য সালিশের মাধ্যমে ১০ লাখ টাকা কাবিন ধার্য করে অভিযুক্ত ছেলের সঙ্গে মেয়েটির বিয়ে পড়ানো হয়। এছাড়া মেয়ের নামে ৪ শতাংশ জমি লিখে দেওয়াসহ অভিযুক্ত বাবাকে এলাকা ছেড়ে চলে যাওয়ার শর্ত দেন গ্রামপ্রধানরা। কিন্তু পরে ওই কিশোরীর ভাই বাদী হয়ে থানায় মামলা করলে পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে।

স্থানীয়রা জানান, ওই মেয়ের বাড়ির পাশে সামসুলের একটি চায়ের দোকান রয়েছে। বাবা-ছেলে দুজন মিলেই দোকানটি চালাত। গত বছরের নভেম্বরে বাবা-ছেলে একাধিকবার ভয়ভীতি দেখিয়ে মেয়েটিকে ধর্ষণ করে। পরবর্তীতেও ভিন্ন ভিন্ন সময়ে তারা ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করে। এ সময় কাউকে বিষয়টি জানালে তাকে মেরে ফেলার হুমকি দেয় তারা। একপর্যায়ে মেয়েটি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে।

বড়াইগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস ছালাম জানান, এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। অভিযুক্ত বাবা-ছেলেকে সোমবার গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।


শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *