নিজস্ব প্রতিবেদক :: সিলেটে একই দিনে পৃথক দুই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) রাত ১২টা পর্যন্ত উভয় ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়নি। এমন কি কাউকে গ্রেপ্তারও করতে পারেনি পুলিশ।
এ বিষয়ে সিলেট কোতোয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খান মোহাম্মদ মাইনুল জাকির জানান, নিহতের পরিবার দাফন-কাফন সম্পন্ন করে রাতেই মামলা করতে পারেন।
মামলা দায়েরের পর তদন্ত কার্যক্রম আরও এগিয়ে নেওয়া হবে।
সোমবার সন্ধ্যায় দক্ষিণ সুরমার ইনডোর স্টেডিয়ামে ফুটবল খেলা শেষে ফেরার পথে দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে খুন হয় কিশোর রিফাত আহমদ।
এ ঘটনায় আরও ৩ কিশোর আহত হয়ে সিলেট ওসমানী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
অন্যদিকে, সিলেট সদর উপজেলার হাটখোলা ইউনিয়নের দিঘীরপার গ্রামে বাঁশ কাটাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে নিহত হন যুবক মো. আব্দুল্লাহ।
ওই ঘটনায়ও নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় মামলা দায়ের করা হয়নি এবং কাউকে গ্রেপ্তার করেনি পুলিশ।
জালালাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামসুল হাবীব বলেন, সংঘর্ষে প্রতিপক্ষের কয়েকজন আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। তবে আব্দুল্লাহর মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর তারা হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান। এ কারণে এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।
তিনি আরও বলেন, নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলার প্রস্তুতি চলছে। মামলা দায়েরের পর জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান আরও জোরদার করা হবে। রাতেই তারা মামলা দায়ের করতে পারেন।
এদিকে, দুই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, উভয় ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে তদন্ত এবং অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
নিহত রিফাত আহমদ সিলেট নগরের খাসদবির দারুস সালাম মাদরাসা সংলগ্ন বন্ধন জি-৩ বাসার মিসবাহ উদ্দিনের ছেলে ও দ্বীপ শিখা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেণির ছাত্র।
ছুরিকাঘাতে আহতরা হলেন, নিহতের সহপাঠী গোয়াইনঘাটের উপরগ্রাম এলাকার মানিক হাজির ছেলে রবিউল হাসান (১৬), এয়ারপোর্ট থানাধীন আম্বরখানা মজুমদারী এলাকার সাহাবুলের ছেলে সাব্বির (১৬) এবং এয়ারপোর্ট থানাধীন ইলেক্ট্রিক সাপ্লাই এলাকার সামিউল (১৬)।
এছাড়া সিলেট সদর উপজেলার হাটখোলা ইউনিয়নের দিঘীরপার গ্রামে বাঁশ কাটাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে নিহত মো. আব্দুল্লাহ (২৫) দিঘীরপার গ্রামের ফারুক আহমদ বদুল্লার ছেলে।
