বিশ্বনাথে চেয়ারম্যান রুহেলের বিরুদ্ধে অভিযোগের তদন্ত ৯ সেপ্টেম্বর

Uncategorized
শেয়ার করুন

স্টাফ রিপোর্টার : সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার ৩নং অলংকারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, বিএনপি নেতা নাজমুল ইসলাম রুহেলের বিরুদ্ধে আনিত বিভিন্ন অভিযোগের তদন্ত ৯ সেপ্টেম্বর বুধবার বিশ্বনাথ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হবে।
কৃষি কর্মকর্তা রমজান আলী স্বাক্ষরিত এক নোটিশে বিকেল সাড়ে ৩ঘটিকায় তার অফিসে স্বাক্ষী প্রমানাধী নিয়ে উপস্থিত থাকার জন্য অভিযোগকারীদের নোটিশ প্রেরণ করেছেন। গত ১৭ আগষ্ট জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের এক পত্রে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ তদন্তের জন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে নিদের্শ প্রদান করা হয়। কিন্তু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ২৩ আগষ্ট উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাকে বিধি মোতাবেক সরেজমিনে তদন্তপূর্বক ৭ কার্যদিবসের মধ্যে মতামত সহ রিপোর্ট প্রদানের অনুরোধ করেন। কৃষি কর্মকর্তা ১৩ কার্যদিবস অতিবাহিত হওয়ার পরও নোটিশ না করায় দৈনিক বিশ্বনাথের ডাক অনলাইন পোর্টাল সহ কয়েকটি অনলাইনে সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর নোটিশ প্রদান করা হয়। নোটিশে ৩ সেপ্টেম্বর লেখা থাকলেও ৬ সেপ্টেম্বর নোটিশ রিসিভ করেন একজন অভিযোগকারী। বলা আবশ্যক যে, খুনের মামলা সহ ১২টি মামলার আসামী চেয়ারম্যান নাজমুল ইসলাম রুহেল বর্তমানে ৩টি মামলার চার্জশীট দাখিলের পর বিচারাধীন রয়েছে।  মনোকুপা গ্রামের হাজী মখলিছ আলী হত্যা কান্ডের মামলা ও পন্না উল্লাহ বাজারের একটি দোকান জালিয়াতির মামলায় বিশ্বনাথ থানা পুলিশ তদন্ত করছে।
গত ২৪জুন থেকে চেয়ারম্যান পলাতক থাকার পর স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য ও এলাকাবাসী স্থানীয় সরকার মন্ত্রী, স্থানীয় সরকার সচিব, জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে অভিযোগ দায়েরের পর কার্যকরী কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে না। স্থানীয় সরকার ইউনিয়ন পরিষদ আইন ২০০৯ এর ৩৪(১) বিধান মোতাবেক কোন মেম্বার বা চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে কোন মামলা আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল বা অপরাধ আমলে নেয়া হয়েছে, ৩৪ এর (৪) খ মতে পরিষদ বা রাষ্ট্রের স্বার্থের হানিকর কোন কার্যকলাপে চেয়ারম্যান বা মেম্বার জড়িত থাকলে সরকার লিখিত আদেশের মাধ্যমে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করার বিধান রয়েছে। সূত্রমতে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে কোন আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় আইনের ফাকপুকুড়ের সুযোগে তিনি বহাল তবিয়তে রয়েছেন। বিশ্বনাথ উপজেলা পরিষদ পুড়ানো, রাষ্ট্র ও সরকারের বিরুদ্ধে নাশকতামুলক কর্মকান্ডে জড়িত থাকায় চেয়ারম্যান এর বিরুদ্ধে কয়েকটি মামলাও রয়েছে।
এদিকে ৮ সেপ্টেম্বর অলংকারী ইউপি নামে চেয়ারম্যান এর ছবি সম্বলিত একটি ফেইসবুক আইডি থেকে বিভিন্ন অনলাইন পোর্টালে চেয়ারম্যান এর বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ সম্পুন্ন মিথ্যা বানোয়াট কল্পনা কাহিনি বলে প্রকাশ করা হচ্ছে। আবার ৫ আগষ্ট ইউনিয়নবাসীর উদ্যোগে সাংবাদিক সম্মেলনের কথা স্বীকার করে একটি সংঘবদ্ধ দুষ্টচক্র রাজস্ব ফাকি দিয়ে চাঁদাবাসী সন্ত্রাসী, দূর্ণীতি সহ সকল অপর্কম ঢাকতেই তার বিরুদ্ধে এসব সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে বলে উল্লেখ্য করা হয়।
চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে তদন্তের একদিন পূর্বে চেয়ারম্যানের পক্ষে এমন স্ট্যাটাস রহস্যজনক এবং তদন্তের বাধা সামিল বলে অভিজ্ঞমহল মনে করছেন। স্ট্যাটাসে জাতির বিবেক উল্লেখ্য করে চোরাকারবারি, ভূমিখেকো, দখলবাজ ও মামলাবাজ বলে সাংবাদিকদের ইঙ্গিত করেছেন।


শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *