নিজস্ব প্রতিবেদক :: সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার চাঞ্চল্যকর ও বহুল আলোচিত প্রবাসীর দেড় কোটি টাকা আত্নসাতের দায়েরী মামলার প্রতারক ২আসামিকে জামিন না মঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণ করেছেন আদালত । অপর দুই আসামির জামির মঞ্জুন করেন।
গত ১৯ডিসেম্বর বুধবার ৪জন আসামি সিলেটের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট ৩য় আদালতে ৪জন আসামি জামিনের আবেদন করলে আসামি আমিনা বেগম ও তার ভাই জাকির হোসেনের জামিন না মঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণ করেন। অপর দুই আসামি আমিনার বোন সুবিনা ও তার বোনের জামাই রুহেলের জামিন মঞ্জুর করেন। মামলা দায়েরের সাড়ে তিন মাস পর আদালতে হাজির হয়। চাঞ্চল্যকর এ মামলায় মহামান্য হাইকোর্ট আসামিদের জামিন মঞ্জুর করেন নি।
উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নের মৌলভীগাঁও গ্রামের যুক্তরাজ্য প্রবাসি আজাদ মিয়া স্বপরিবারে যুক্তরাজ্যে থাকেন। কিন্তু বাড়িতে তার একমাত্র বৃদ্ধ মাতাকে দেখাশোনা ও লেখাপড়া সুবিধার্থে আপন মামাতো বোন আমিনা বেগমকে বাড়িতে নিয়ে আসেন এবং দীর্ঘদিন সিংগেরকাছ বাজার ও বিশ্বনাথ থানা সদরে আমিনার নামে দুটি একাউন্ট করে সরল বিশ্বাসে টাকা পাঠাতে থাকেন। আমিনা বেগম আজাদ মিয়ার বাড়িতে থেকে ৬ শ্রেণী থেকে এএইচএসসি পর্যন্ত লেখা পড়া করছিল। একপর্যায়ে ভাই জাকির হোসেন ও অপর দুই আসামির সহায়তায় মজাকৃত টাকা স্বর্ণ পাউন্টসহ ১কোটি ৪৬লাখ ১০হাজার টাকা আতœসাত করে। খবর পেয়ে আজাদ মিয়া দেশে এসে এ ঘটনা শোনে মানসিকভাবে ভেঙ্গে পড়েন। গত ৫সেপ্টেম্বর আজাদ মিয়ার ভাই জয়নাল আবেদীন আদালতে ৪জনকে আসামি করে সিআর ২৭০/২০২৪ইং, মামলাটি দায়ের করেন। আদালত শোনানি শেষে বিশ্বনাথ থানা পুলিশকে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিলে থানার ওসি (তদন্ত) আব্দুর রব এ মামলার প্রতিদেবন আদালতে দালিখ করেন।
তদন্ত রিপোর্টে তিনি ব্যাংকের তথ্যমতে ১কোটি ৪৬লাখ ১০হাজার টাকা আত্নসাতের ঘটনা উল্লেখ করেন। আদালত রিপোর্ট পেয়ে আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোওয়ানা জারি করেন। সুবিনা ও তার স্বামী রুহেলের বাড়ি দয়ামির ইউনিয়নের বড় ধিরারাই গ্রামে।