বিশ্বনাথে জালিয়াতির মাধ্যমে আওয়ামীলীগ নেতার সম্পত্তি দখলের চেষ্টা : মামলা

Uncategorized
শেয়ার করুন

স্টাফ রিপোর্টার : পাসপোর্ট জালিয়াতি ও ভূয়া দলিলপত্র তৈরীর মাধ্যমে অলংকারি ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদকের সম্পত্তি দখল ও প্রাণে হত্যার চেষ্টা করছে একটি প্রভাবশালি মহল। বিশ্বনাথ উপজেলার অলংকারি ইউনিয়নের আলমনগর গ্রামের মৃত মকদ্দছ আলীর পরিবারের সাথে এমন প্রতারণা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় বুধবার মৃত মকদ্দস আলী উরফে মখন মিয়ার স্ত্রী কলছুমা বেগম বাদী হয়ে সিলেট সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট ৩নং আমলী আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন, (বিশ্বনাথ সিআর-১৫৪/২০২০ ইং)।
মামলার এজহার সূত্রে জানা গেছে, মামলার প্রধান অভিযুক্ত আলমনগর গ্রামের মৃত ইসকন্দর আলীর পুত্র মকরম আলী উরফে গেদা মিয়া সিকন্দর আলীর পুত্র মকদ্দস আলী সেজে প্রতারণার মাধ্যমে পাসপোর্ট, জন্মসনদসহ জাল কাগজপত্র তৈরী করে যুক্তরাজ্যে চলে যান। কিন্তু গেদা মিয়া মকদ্দছ আলী সেজে আওয়ামীলীগ নেতার পৈত্রিক সম্পত্তি দখল করার জন্য বিভিন্ন কৌশলে লিপ্ত রয়েছেন। এমনকি মৃত মকদ্দস আলীর স্ত্রী ও তিন সন্তানকে বাড়ি থেকে বের করে দিতে তার লোকবল দিয়ে প্রাণে হত্যার হুমকিও দিয়ে যাচ্ছেন। এদিকে, আওয়ামীলীগ নেতার বসত-ঘরের জায়গা দখল ও স্ত্রী-সন্তানসহকে হত্যা করার হুমকির অভিযোগে গত ২০ আগস্ট সিলেট সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট ৩নং আমলী আদালতে এবং প্রবাসীর স্ত্রীর বসবাসরত ভ‚মি যাহাতে বেদখল ও উক্ত সম্পত্তি থেকে তাহাকে বিতাড়িত না করতে পারে সে জন্য ১৪৪ ধারা নিষেধাজ্ঞা জারি করার লক্ষ্যে গত ১৮ আগস্ট সিলেটে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে আরো দুটি পৃথক মামলা দায়ের করেছেন মরহুম মকদ্দস আলী উরফে মখন মিয়ার স্ত্রী কলছুমা বেগমের ভাগ্না জাবির হোসেন (মোকদ্দমা নং-১৯/২০২০ইং) এবং বিশ্বনাথ সিআর (মোকদ্দমা নং-১৪৯/২০২০ইং)। এরমধ্যে ১৪৯ নং মামলাটি পিবিআইতে তদন্তাধীন রয়েছে।
এ ব্যাপারে মামলার বাদী মকদ্দস আলী উরফে মখন মিয়ার স্ত্রী কলছুমা বেগম জানান, ১৯৮৯ সালের ২৮ মার্চ উপজেলার অলংকারী ইউনিয়ন আলমনগর গ্রামের মরহুম হাজী মো. সিকন্দর আলীর পুত্র মকদ্দস আলী উরফে মখন মিয়ার সাথে বিবাহ হয়। তিনির দুই কন্যা ও এক পুত্র সন্তান রয়েছে। ২০১২ সালের ৫ নভেম্বর বাদীর স্বামী ও উপজেলার অলংকারী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মরহুম মকদ্দস আলী উরফে মখন মিয়া মৃত্যুবরণ করেন। স্বামীর মৃত্যুর পর থেকে বাদী সন্তানদের নিয়ে স্বামীর তৈরী পাকা দালান গৃহে বসবাস করে আসছেন। সম্প্রতি শানুর মিয়া দলবল নিয়ে এসে বাড়ি ছাড়ার হুমকি দিচ্ছেন। আর বাড়ি না ছাড়লে প্রাণে হত্যার হুমকি দেন।
এ বিষয়ে মামলার ১নং অভিযুক্ত মকরম আলীর ভাগ্নে ৩নং অভিযুক্ত শানুর মিয়া নিজেদের উপর আনিত সকল অভিযোগ মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্য প্রনোদিত দাবী করে বলেন, দেশে আমার মামার নাম মকরম আলী, পিতা ইসকন্দর আলী। আর যুক্তরাজ্যে মকদ্দছ আলী, পিতা ছিকন্দর আলী যুক্তরাজ্যে রয়েছেন।


শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *